ইউ মাস্ট ডু বিজনেস
ধনসম্পদ অর্জনের ব্যাপারটাকে অনেকে ইসলাম পরিপন্থী মনে করেন। এ কারণে সম্পদ অর্জনকে মুসলিমদের অনেকেই খারাপ চোখে দেখেন। কিন্তু এই বইতে লেখক চমৎকারভাবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন এই বিষয়ে এবং আলোচনা করেছেন কেন সম্পদ অর্জন করা খারাপ না বরং ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্যও সম্পদ অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওনার একটা কথা খুব ভাল লেগেছে যেখানে উনি বলেছেন যে, আমরা মনে করি সাহাবীরা সবাই গরীব ছিলেন। কিন্তু এটা সত্য না। অনেক কোটিপতি, ধনবান সাহাবী ছিলেন। সালাফদের অনেকেই অনেক বড় মাপের সম্পদশালী ছিলেন। প্রকৃত অর্থে সালাফরা সম্পদ অর্জনকে খারাপ চোখে দেখতেন না, বরং তারা সম্পদের মোহে পড়াটাকে খারাপ মনে করতেন।
ড. তাওফিক চৌধুরি
ড. তাওফিক চৌধুরি বিশ্ববিখ্যাত মার্সি মিশনের প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান। এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল মুসলিম সামাজিক উদ্যোগগুলীর মধ্যে অন্যতম। একটি বহুজাতিক আইটি কোম্পানির প্রাক্তন সিইও থেকে বর্তমানে তিনি একাধারে একজন পেশাদার ব্যবসায়ী, প্র্যাকটিসিং মেডিকেল ডাক্তার, কর্পোরেট এবং ব্যাবসায়িক প্রশিক্ষক। ইসলামি আইন-বিধান, ফাইন্যান্স এবং মেডিকেল এথিক্সের ওপর বিশেষ ব্যুৎপত্তি তাকে একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
চমৎকার এই বইটি মুসলিম অন্ট্রাপ্রানার নেটওয়ার্কের সঙ্গে ড. তাওফিক চৌধুরির একটি সাক্ষাৎকারের আলোকে রচিত।
কেন এ বই?
বইয়ে ব্যবসায় করার উপকারিতা, কীভাবে ব্যবসায়ে প্রসার করতে পারেন প্রথমে, চাকরি কেন ত্যাগ করা উচিত, ব্যবসায় করলে উম্মাহর কি কি উপকার করা যাবে তা সংক্ষেপে উল্লেখ আছে।
আমরা বাংগালীরা ব্যবসার প্রসংগ আসলেই কাল্পনিক একটা ভয় কাজ করে, লেখক সেই ভয় কে ভাংগিয়েছেন। মুলত উদ্যক্তা হচ্ছে সাহসীর আরেক নাম। আর ইসলাম সব সময় সাহসী হতে বলে।
বইয়ের সামারি
ড. তাওফিক চৌধুরীর “ইউ মাস্ট ডু বিজনেস” বইটা ছোট্ট সাইজের মাত্র ২৪ পৃষ্ঠায় শতাধিক বইয়ের মূলকথা জেনে যাবেন। চলুন জেনে নেই ছোট্ট বইটির সংক্ষিপ্ত সামারি:
ব্যবসা কেন দরকার?
অর্থ-সম্পদ মানব জীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ । পকেটে পর্যাপ্ত পয়সা না থাকলে ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থের রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব অর্থাৎ জীবনের অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান এটি। সম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে উপার্জন হতে হবে হালাল পন্থায় । যে কোন পেশা কিংবা কাজ করা যেতে পারে। উপার্জনের সর্বাধিক উত্তম ও শ্রেষ্ঠ পন্থা হচ্ছে ব্যবসায় করা ।কারণ মানুষের মাঝে ব্যবসায় করে যে সেবা পৌঁছে দেয়া যায় তা আর অন্য কোন কিছুর মাধ্যমে হয়ে ওঠেনা, পরিমাণটাও হতে পারে সবচাইতে বেশি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একজন ব্যবসায়ী ছিলেন, তার আচার ব্যবহার বুদ্ধিমত্তা ছিল অন্য সবার থেকে ভিন্ন।
এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে সুরা নিসার ১৪১ নং আয়াতে ঘোষণা করেছেন, আর আল্লাহ কিছুতেই মুমিনের বিরুদ্ধে কাফিরদের কর্তৃত্ব দেবেন না।
মূলত এই আয়াতটি ঘুম ভাঙ্গানোর আয়াত আলিমগণ বলেছেন এখানে মুসলিমদেরকে অন্যের উপর নির্ভরতা কাটিয়ে নিজে কিছু করার আদেশ করা হয়েছে ।
মহান আল্লাহ তা’আলা সুরা বাকারার ১১০ নম্বর আয়াতে বলেন, তোমরা সালাত আদায় করো এবং যাকাত প্রদান করো।
এখানে যাকাত ও সাদাকা প্রদানের নির্দেশ দিচ্ছেন আল্লাহ তায়ালা কিন্তু কারো কাছে অর্থই যদি না থাকে তাহলে গরীব দুঃখীর প্রতি সদকা করবে টা কি দিয়ে ! ব্যবসায় স্বাবলম্বী হতে শেখায়। ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদা বাড়িয়ে দেয় বহু গুণে । ব্যবসা করলে অর্থ সম্পদ বৃদ্ধি পায় কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করে। তখন যে কোন পরিমিত ও ঠিকঠাক খরচ খুব সহজ হয়ে উঠে।
নিজেকে অনুপ্রাণিত করার ১০১ টি উপায় জানুন এখানে।
ধনসম্পদ কি মন্দ জিনিস?
সাধারণ অনেক মুসলিম ধন সম্পদকে খারাপভাবে দেখে এবং ধন-সম্পদ থাকাকে খারাপ মনে করে। তারা অর্থই সকল অনর্থের মূল মনে করে। কিন্তু মুসলিম জীবনের আদর্শের সাহাবীগণ সম্পর্কে ধন-সম্পদ নয় বরং সাদাকাহ না করে সেটাকে জমিয়ে রাখা কে খারাপ হিসেবে বিবেচনা করতেন। অর্জন করায় কোন ক্ষতি নেই, এতে আবার কিসের ঘৃণা!
ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ক্রীতদাসদের কিনে নিয়ে মুক্ত করে দিয়ে বুক করে স্বাধীনতার প্রশ্বাস নিতে দিয়েছেন, বিলাল রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু কে মুক্ত করেছিলেন ।ব্যক্তিগতভাবে লেখক যত বেশি সম্ভব টাকা কামাতে উদ্বুদ্ধ করেন। সাম্প্রতিক কোটিপতির সংখ্যা আড়াই হাজারের মতো এবং সমস্যা হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই অর্থ ব্যয় হচ্ছে আল্লাহর অসন্তুষ্টিতে। এই মুহূর্তে দরকার মুসলমানদের অনেক অনেক বেশি টাকা উপার্জন করা যাতে তারা আল্লাহর অসন্তুষ্টির পরিবর্তে আল্লাহর সন্তুষ্টিতে তাদের সম্পদ ব্যয় করতে পারেন।
ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম ব্যাংক ছিলেন জুবায়ের ইবনুল আউয়াম রাদিয়াল্লাহ । অসম্ভব ক্ষমতাধর একজন বর্তমান সময়ের ব্যাংকের মতো তারা আমাদের লোকজন নিজেদের অর্থ সম্পদ তার কাছে রাখতে চাইতো । তার মৃত্যুর পর ৪ স্ত্রীর প্রত্যেকেই ৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ পেয়েছিলেন । সুতরাং সম্পদের প্রতি অবহেলার এই পরাজিত, দূর্বল ও সস্তা মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিলিয়নেয়ার আপনাকেই হতে হবে ।এবং এক্ষেত্রে আপনাকে ইসলামিক বিধান মেনে এবং ব্যয় করতে হবে আর সদকা করার মানসিকতা থাকতে হবে যাতে আপনার মাধ্যমে পৃথিবীর মুসলমানরা উপকৃত হয়।
আব্দুর রহমান ইবনু আউফ রাদিআল্লাহু আনহুর ব্যবসা
জীবনে সম্পদশালী হওয়ার অসংখ্য ঘটনার দেখা মিলবে তবে আব্দুর রহমান ইবনু আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহুর ঘটনাটি উল্লেখযোগ্য কারণ তিনি নিজের সততায় বিশাল ব্যবসায়ী হয়েছিলেন । তার ব্যবসায় স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের সুবিধার কথা সবসময় মাথায় রাখতেন। তার কৌশল ছিল স্বল্প লাভ অধিক বিক্রি ।তার ব্যবসা ছিল মূলত ঘোড়া ক্রয়-বিক্রয় করা । সবাই যেখানে ঠকানোর চেষ্টায় থাকতো, আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাঃ ক্রেতাকে জেতানোর পক্ষে ছিলেন। হয়তো কোন একটি ঘোড়ার দাম ঠিক হলো তিনি তখন খুঁত ধরে ধরে দাম কমিয়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করতেন। অনেক সময় এমন হয়েছে যে বরং শেষ পর্যন্ত ত্রেতাই অনুরোধ করতে বাধ্য হতেন না না এত কম টাকা আমি দিতে পারবো না , আপনি আর দাম কমাবেন না প্লিজ ।
সৌদি আরবের মাল্টি বিলিয়নের রিয়াল এস্টেট ব্যবসায়ীর গল্প বলা যায় সবাই যেখানে ১০-১৫% পার্সেন্ট লাভে তাদের রিয়েল এস্টেট বিক্রি করে সেখানে তার কৌশল হচ্ছে মাত্র ৫% লাভেই বিক্রি করে দেয়া । এভাবে প্রচুর পরিমাণ বিক্রি করে যার ফলে সে ৫% হলেও তার লাভ অনেক বেশি হয় । সে সবসময় ক্রয়-বিক্রয় করে যার ফলে কারো সম্পদ বিক্রির প্রয়োজন হলে তার কাছে আসে কারণ সে দ্রুত বিক্রি করতে পারে। আবার ক্রেতারাও তার কাছে চলে আসে যাতে ভালো একটা প্রপার্টি পেতে পারে কারণ জানে সে কম লাভেই বিক্রি করে থাকে।
ক্যাশ মেশিন বই সামারি ও রিভিউ এবং ৬ কোটি টাকার বিজনেস সিক্রেট জানুন এখানে।
সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা
ব্যবসায় এবং পিপুল পরিমাণের সম্পদ অর্জন করতে একজন মুসলিমের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হওয়া দরকার সাদাকাহ। হাতে বিপুল পরিমাণ সম্পদ না থাকলে দান করা সম্ভব হয় না এটাই সবচেয়ে অনুপ্রেরণা হতে পারে একজন মুসলমানের জন্য । চলুন জনৈক মালোশিয়ান মাল্টি বিলিয়নেয়ারের কাহিনী জেনে নেই । তার গল্প জিরো থেকে হিরো হওয়ার। মাত্র ১০ বছর বয়সে নৌকায় চেপে ইয়ামান থেকে মালয়েশিয়ার এসে জুতো জোড়া বিক্রি করে কিছু অর্থ জোগাড় করে দিন শেষে ১০ রিঙ্গিত আয় করেছিলেন। তার মা তাকে বললেন তুমি এখান থেকে অর্ধেক দান করে দাও। তখন সে প্রথমে বলল দান না করে পরবর্তীতে আরো বড় পরিমান টাকা হলে দান করি কেমন হয়?
তার মা বললেন, আল্লাহ যেহেতু বরকত দিয়েছেন তুমি এখান থেকেই দান করো। সম্পদ উপার্জন করতে পারা মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা একটি সুবর্ণ সুযোগ বৈ কিছুই নয় । ঘুম থেকে উঠে আসা লাভের চেয়ে অনেক বেশি উপার্জন আপনি এই সুযোগ থেকে করতে পারেন মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা সুযোগই উপার্জনের আদি ও অকৃত্রিম উৎস। আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে সাদকার মাধ্যমে। অন্তত ২০% হলেও সদকার জন্য ব্যয় করতে হবে । এটা গুরুত্বপূর্ণ ও অবশ্য কর্তব্য। অনেকের ব্যবসা বৃদ্ধির মূল কৌশলই এই সাদকাহ।
উদ্যোগে সফল না হলে কি হবে?
আসলে উদ্যোগের অন্য নাম হচ্ছে। প্রচণ্ড সাহস লাগে, প্রচন্ড ঝুঁকি গ্রহণের ইচ্ছে থাকতে হয় ব্যবসায় করার জন্য। আপনি রাস্তায় নামলে বিভিন্ন ধরনের এক্সিডেন্ট হতে পারে, খাবারে রোগজীবাণু থাকতে পারে বলে কি আপনি রাস্তায় নামবেন না? খাবার খাবেন না? চাকরি নয়, ব্যবসাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি অপশন হিসেবে নিতে হবে ।
নেটওয়ার্কিং: একটি অপরিহার্য দক্ষতা
একজন উদ্যোক্তাকে অনেক ধরণের দক্ষতা জানতে ও শিখতে হয় । যেসব দক্ষতার উপর ভর করে ব্যক্তি সফল উদ্যোক্তা হয়ে ওঠে নেটওয়ার্কিং তার মধ্যে অপরিহার্য । যথাযথ মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো এবং সংযোগ ও নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারলে অর্থোপার্জন সময়ের ব্যাপার মাত্র। কারণ আপনার কাছের ১০ জন বন্ধুর মোট সম্পদকে দশ দিয়ে ভাগ করলে আপনার নিট সম্পদে পাওয়া যাবে । ঈমানের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার । সুতরাং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাটা অপরিহার্য ও খুবই দরকারি । সম্পদশালী হয়ে ওঠার জন্য নেটওয়ার্কিং এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য ।
তিনটি সেরা অভ্যাস
প্রথম অভ্যাসটি হলো জানার জন্য ব্যয় করা অর্থাৎ উপার্জনের রাস্তা বানাতে জ্ঞান অর্জনের জন্য টাকা খরচ করতে হবে । উদ্যোক্তার আয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কে নিত্য নতুন কৌশল শিখতে হবে সব সময়। কর থেকে বাঁচার উপায় শিখুন, ধনীদের জীবনযাত্রা বিষয়ে জানুন, সেরা কর্মকৌশল জানুন আর এই জানার জন্য সময়, শ্রম এবং অর্থ ব্যয় পিছপা হবেন না কখনোই।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা হলো বিজ্ঞ উপদেষ্টা থাকা; যেমনটি জিবরাইল আলাইহিস সালাম ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য একজন উপদেষ্টা । উদ্যোক্তার জন্য একজন পরামর্শদাতার সাহচর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । সফলতা অর্জনে একজন পরামর্শকের ভূমিকা অনেক। শত শত বইয়ের সারমর্ম শুধু একটা উপদেশ দিতেই বুঝিয়ে দিতে পারেন। খুব সহজে ধরে ফেলতে পারেন কিন্তু আপনি সেটা বোঝেন না কারণ আপনি সেই সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। কিন্তু ভালো পরামর্শদাতা চিনবেন কিভাবে? একজন ভালো পরামর্শদাতা আপনাকে সময় দিবে এবং অবশ্যই সৎ থাকবে, শুধু অর্থ পাবেন বলে পরামর্শদাতা হবেন না, আর যিনি কখনো হারাম উপার্জনে পা বাড়ান নি।
তৃতীয় বিষয় হলো প্রথম থেকেই সাদাকাহ করার অভ্যাস বজায় রাখা, পরে দেয়ার জন্য বসে থাকাটা মোটেই কাম্য নয়। আগে আগে সাদাকাহ করবেন মালয়েশিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের অন্যতম জনাব বুখারীর মত হতে হবে । এক্ষেত্রে প্রথম থেকে এবং সবসময়ই সাদাকাহ করার মানসিকতা থাকতে হবে ।অনেক বিলিয়ন সাদাকাহর মাধ্যমেই নিজেদের বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন সাদাকাই ছিল তাদের মূল পুঁজি।
সমাপনী
মূলত ব্যবসায় সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়েছে। মুসলমানরা কেন ব্যাবসায় অনাগ্রহী। আমাদেরকে কীভাবে টাকাকে খারাপ ভাবে চেনানো হয়েছে এইগুলা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিভাবে ব্যবসায় করলে ভালো করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
বইটি ছোট হলেও একজন মানূষ কিভাবে সফল উদ্যক্তা হতে পারবেন তা সুন্দর ভাবে উপাস্থাপন করেছেন তার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে। সম্পদ উপার্জন মোটেও খারাপ বিষয় নয়, বরং হালাল অধিক সম্পদ অর্জনে ইসলাম উৎসাহিত করে। যত বেশী উপার্জন করবেন, তত বেশী সাদকাহ করতে পারবেন।
সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে
বইটি থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে পুরো বইটি পড়ে ফেলুন- প্রায় পকেট মাপের গোটা চব্বিশেক পৃষ্ঠা পড়তে ঘন্টা খানেক সময় লাগতে পারে হয়তো। রকমারি থেকে ৪০ টাকার কাছাকাছি দামে বই কিংবা ১৫ টাকার কাছাকাছি দামে ইবুক কিনে পড়ে ফেলুন, সংগ্রহে রাখুন। ওয়াফিলাইফ থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন।